প্রিপেইড সিমের মেয়াদ (SIM Validity) কতদিন থাকে এবং ব্যালেন্সের মেয়াদ বৃদ্ধির নিয়ম | SIM Expiry
বিটিআরসির সিম নিষ্ক্রিয়তা ও রিসাইকেল নীতিমালা
বাংলাদেশে মোবাইল নম্বর জাতীয় সম্পদ। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (BTRC) বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রিপেইড সিমে যদি টানা ১২ মাস (৩৬৫ দিন) কোনো ধরনের আউটগোয়িং বা ইনকামিং কল, এসএমএস, মোবাইল ডেটা ব্যবহার কিংবা রিচার্জ না করা হয়, তবে সিমটি নিষ্ক্রিয় বা ডরমেন্ট (Dormant) হিসেবে চিহ্নিত হয়।
এক্ষেত্রে অপারেটর গ্রাহককে ৩০ দিনের চূড়ান্ত নোটিশ প্রদান করে। এই নোটিশ সময়ের মধ্যেও যদি সিমটি রিচার্জ বা সচল না করা হয়, তবে নম্বরটি স্থায়ীভাবে বাতিল করে বাজারে নতুন গ্রাহকের কাছে বিক্রির জন্য রিসাইকেল (Recycle) প্রক্রিয়ায় চলে যায়। নম্বর একবার বাতিল হয়ে গেলে সিমের পূর্ববর্তী সকল ব্যালেন্স ও মালিকানা চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
ব্যালেন্স ও সিম সচল রাখার সহজ কৌশল
আপনার দ্বিতীয় বা অতিরিক্ত সিমটি চালু রাখতে নিয়মিত বিরতিতে বা অন্তত কয়েক মাস পর পর ন্যূনতম রিচার্জ করুন অথবা FlexiTaka-র মাধ্যমে ৫% ডিসকাউন্টে ছোট একটি রিচার্জ সম্পন্ন করে মেয়াদ বৃদ্ধি করে নিন।
সিম ব্যালেন্স ক্যাশ আউট করতে চান?
গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক সিমে থাকা যেকোনো অব্যবহৃত ব্যালেন্সকে মাত্র কয়েক মিনিটে বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ক্যাশ করে নিন।
